এক নজরে জাতীয় মহিলা সংস্থা

ভূমিকা:

মহান মুক্তিযুদ্ধে বাংলার মায়েরা-মেয়েরা প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত ছিলেন এবং বলিষ্ঠ ভূমিকা রেখেছেন। তারা সম্মুখযুদ্ধে অংশ নিয়েছেন, মুক্তিযোদ্ধাদের সহযোগিতা করেছেন। ১৯৭১ সালে যুদ্ধ পরিচালনা, যুদ্ধক্ষেত্রে অস্ত্র পরিচালনা, যুদ্ধাস্ত্র চালনা, প্রশিক্ষণ দেয়া, চিকিৎসা সেবা, মুক্তিযোদ্ধাদের গোপনে আশ্রয় দান ও খাদ্য সরবরাহ, পাকসেনাদের অবস্থান সম্পর্কে তথ্য আদান-প্রদান। যুদ্ধে স্বপক্ষে জনমত গঠন ও উদ্ধুদ্ধকরণ, বেতার ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিকামী জনগণকে উৎসাহ যোগানো ইত্যাদি নানাভাবে এই শ্যামল দেশের নারীরা জাতির প্রয়োজনের দিনে নির্ভীক ও অকুতোভয় চিত্তে যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিলেন। ১৯৭৪ সালে জাতিসংঘ কর্তৃক ‘নারী বর্ষ’ ঘোষিত হয় এবং আর্ন্তজাতিক নারী দিবস আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি লাভ করে।  ১৯৭৫ সালে জুলাই মাসে মেক্সিকোতে অনুষ্ঠিত প্রথম বিশ্ব নারী সম্মেলনে ১৯৭৬ – ১৯৮৫ সালকে ‘নারী দশক’ হিসেবে  ঘোষনার পেক্ষাপটে আর্ন্তজাতিক পরিমন্ডলে নারী অধিকারের বিষয়গুলি উন্নয়নের কেন্দ্রবিন্দুতে চলে আসে। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান নারী উন্নয়নে সরকারের জাতীয় ও আন্তর্জাতিক অঙ্গীকার রক্ষার্থে  বাংলাদেশের সর্বস্তরের মহিলাদের সার্বিক উন্নয়ন ও তাদের অবস্থার পরিবর্তনের লক্ষ্যে একটি সাংগঠনিক কাঠামো তৈরী করার জন্য সমাজকল্যাণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে নির্দেশ প্রদান করেন। তৎপ্রেক্ষিতে একটি মহিলা সংস্থার রূপরেখা প্রণীত হয়, যা জাতীয় মহিলা সংস্থা নামে প্রতিষ্ঠা লাভ করে। পরবর্তীতে সংস্থার কার্যক্রমকে অধিকতর ফলপ্রসু ও জোরদার করার লক্ষ্যে ১৯৯১ সালের ৪ঠা মে তারিখে ৯ নং আইন বলে জাতীয় মহিলা সংস্থা একটি সংবিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠানে রূপ নেয়।

জাতীয় মহিলা সংস্থার ভিশন:

সমাজ,রাষ্ট্র, শান্তি ও উন্নয়নে নারী পুরুষের মধ্যে সমতা স্থাপন, মানুষ হিসেবে নারীর উন্নয়ন ও বিকাশের জন্য প্রয়োজনীয় পরিবেশ গড়ে তোলার মাধ্যমে নারীর মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা, ক্ষমতায়ন ও উন্নয়নের মূল স্রোতধারায় সম্পৃক্তকরন।

মিশন:

জাতীয় ও আর্ন্তজাতিক অঙ্গীকার সমূহ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সংস্থার উপর অর্পিত দায়িত্ব যথাযথভাবে বাস্তবায়ন। মহিলাদের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন, স্বাবলন্বিতা অর্জন, দক্ষ জনশক্তিতে রূপান্তর , সামাজিক, রাজনৈতিক আইনগত অধিকার ইত্যাদি প্রতিষ্ঠায় সচেতনতা সৃষ্টি, দক্ষতা বৃদ্ধি ও সমান সুযোগ সুবিধার ক্ষেত্র প্রস্তুত।

জাতীয় মহিলা সংস্থার প্রধান কার্যাবলী তথা লক্ষ্য উদ্দেশ্য:

ক) জাতীয় জীবনের সকল ক্ষেত্রে মহিলাদের সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে কাজ করা;

খ) মহিলাদের জন্য কারিগরী ও বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা;

গ) অর্থনৈতিক স্বাবলম্বিতা অর্জনে মহিলাদের সহায়তা করা;

ঘ) মহিলাদের আইনগত অধিকার রক্ষার্থে সাহায্য করা;

ঙ) পরিবার কল্যাণমূলক ব্যবস্থাদি গ্রহণে মহিলাদের উদ্বুদ্ধ করা;

চ) মহিলা কল্যাণে নিয়োজিত সরকারী ও বেসরকারী, দেশী বিদেশী প্রতিষ্ঠানের সহিত যোগাযোগ স্থাপন করা;

ছ) জাতীয় উন্নয়ন কর্মকান্ডে মহিলাদের সম্পৃক্ত করার জন্য উদ্যোগ গ্রহণ করা;

জ) সমবায় সমিতি গঠন ও কুটির শিল্প স্থাপনে মহিলাদের উৎসাহিত করা;

ঝ) ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে মহিলাদের অংশ গ্রহণের সুযোগ সৃষ্টি করা;

ঞ) মহিলাদের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সম্মেলন, সেমিনার ও কর্মশালার ব্যবস্থা করা;

ট) উপরোক্ত কার্যাবলী সম্পাদনের জন্য প্রয়োজনীয় যে কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করা ।

পরিচালনা প্রশাসন:

সংস্থা প্রধান: চেয়ারম্যান। অধ্যাপক মমতাজ বেগম এ্যাডভোকেট, প্রাক্তন এমপি, এমএনএ ও এমসিএ।

পরিচালনা পরিষদ: জাতীয় মহিলা সংস্থার পরিচালনা ও প্রশাসন একটি পরিচালনা পরিষদের উপর ন্যস্ত। সংস্থা যে সকল ক্ষমতা প্রয়োগ ও কার্য সম্পাদন করতে পারবে পরিচালনা পরিষদও সে সকল ক্ষমতা প্রয়োগ ও কার্যক্রম সম্পাদন করতে পারে। এর সদস্য সংখ্যা ৮৪।

নির্বাহী কমিটি: এছাড়াও জাতীয় মহিলা সংস্থার রয়েছে ১২ সদস্য বিশিষ্ট একটি নির্বাহী কমিটি। উক্ত কমিটি পরিচালনা পরিষদকে উহার কার্যাবলী সুচারুরূপে সম্পাদনের জন্য পরামর্শ ও সহায়তা প্রদান করবে। উক্ত কমিটি পরিষদের যাবতীয় সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের জন্যে দায়ী থাকবে এবং পরিষদ কর্তৃক অর্পিত সকল ক্ষমতা প্রয়োগ ও দায়িত্ব পালন করবে।

সংস্থার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা: নির্বাহী পরিচালক। নাজনীন বেগম (যুগ্ম সচিব)।

জাতীয় মহিলা সংস্থার বর্তমানে ৬৪টি জেলা শাখা ও ৫০টি উপজেলা শাখা রয়েছে। অচিরেই সকল উপজেলায় জাতীয় মহিলা সংস্থার শাখা খোলার মাধ্যমে সংস্থার কার্যক্রম সারা দেশে ছড়িয়ে দেয়া হবে।

জেলা কমিটি: জেলা শাখা পরিচালনার জন্য প্রতি জেলায় ১১ বা তদোর্ধ সদস্য বিশিষ্ট একটি জেলা কমিটি রয়েছে। জেলা কমিটির চেয়ারম্যানসহ ৫জন সদস্য সরকার কর্তৃক মনোনীত। জেলা চেয়ারম্যান পদাধিকারবলে জাতীয় মহিলা সংস্থার পরিচালনা পরিষদের সদস্য।

উপজেলা কমিটিঃ উপজেলা শাখায় ১৫ বা তদোর্ধ সদস্য সমন্বয়ে রয়েছে উপজেলা কমিটি। উপজেলা কমিটির চেয়ারম্যানসহ ৫জন সদস্য সরকার কর্তৃক মনোনীত। উপজেলা কমিটির চেয়ারম্যান পদাধিকারবলে জেলা কমিটির সদস্য।

উপজেলা শাখা সমুহের তালিকা:

ঢাকা বিভাগ: ১) সাভার (ঢাকা), ২) ধামরাই (ঢাকা), ৩) নারায়ণগঞ্জ সদর, ৪) আড়াইহাজার (নারায়ণগঞ্জ), ৫) সোনারগাঁও (নারায়ণগঞ্জ), ৬) রূপগঞ্জ (নারায়ণগঞ্জ), ৭) কাপাসিয়া (গাজীপুর), ৮) কালীগঞ্জ (গাজীপুর), ৯) সিংগাইর (মানিকগঞ্জ), ১০) রায়পুরা (নরসিংদী), ১১) মনোহরদী (নরসিংদী), ১২) মুক্তাগাছা (ময়মনসিংহ), ১৩) ত্রিশাল (ময়মনসিংহ),  ১৪) নান্দাইল (ময়মনসিংহ), ১৫) ঘাটাইল (টাঙ্গাইল), ১৬) ভূয়াপুর (টাঙ্গাইল), ১৭) পূর্বধলা (নেত্রকনা), ১৮) শ্রীনগর (মুন্সীগঞ্জ), ১৯) শিবচর (মাদারীপুর), ২০) ভৈরব (কিশোরগঞ্জ)।

চট্টগ্রাম বিভাগ: ১) হাটহাজারী (চট্টগ্রাম), ২) বিলাইছড়ি (রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা), ৩) দেবিদ্বার (কুমিল্লা), ৪) মুরাদনগর (কুমিল্লা), ৫) ছাগলনাইয়া (ফেণী), ৬) সেনবাগ (নোয়াখালী), ৭) মাটিরাংগা (খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা)।

খুলনা বিভাগ: ১) মোল্লাহাট (বাগেরহাট), ২) শ্যামনগর (সাতক্ষীরা), ৩) তালা (সাতক্ষীরা), ৪) মনিরামপুর (যশোর), ৫) ভেড়ামারা (কুস্টিয়া), ৬) শ্রীপুর (মাগরা)।

রাজশাহী বিভাগ: ১) বড়াইগ্রাম (নাটোর), ২) শিবগঞ্জ (চাপাইনবাবগঞ্জ), ৩) পত্নীতলা (নওগাঁ), ৪) নন্দীগ্রাম (বগুড়া), ৫) জয়পুরহাট সদর, ৬) কালাই (জয়পুরহাট), ৭) সুজানগর (পাবনা), ৮) আটঘরিয়া (পাবনা) ।

বরিশাল বিভাগ: ১) গৌরনদী (বরিশাল), ২) বাবুগঞ্জ (বরিশাল), ৩) উজিরপুর (বরিশাল), ৪) মঠবাড়িয়া (পিরোজপুর), ৫) নলছিটি (ঝালকাঠি)।

রংপুর বিভাগ: ১) মিঠাপুকুর (রংপুর), ২) গোবিন্দগঞ্জ (গাইবান্ধা), ৩) বোচাগঞ্জ (দিনাজপুর) ও ৪) উলিপুর (কুড়িগ্রাম)।

জাতীয় মহিলা সংস্থার কার্যক্রম এর হালনাগাদ তথ্য বিবরনী

(ডিসেম্বর, ২০১০ মাস পর্যন্ত)

নিয়মিত কার্যক্রম:-

* সচেতনতা অক্ষর জ্ঞানদান প্রশিক্ষণ: জাতীয় মহিলা সংস্থার ৬৪টি জেলা এবং ৪৮টি উপজেলা শাখার মাধ্যমে নিরক্ষর মহিলাদের অক্ষরজ্ঞান দান, স্বাস্থ্য, পুষ্টি, পরিবার কল্যাণ, আইনগত অধিকার পরিবেশ সংরক্ষণ, নৈতিক ও সামাজিক বিষয়ে প্রশিক্ষন প্রদান করা হয়। কর্মসূচির আওতায় ২০০৯ হতে ২০১০ পর্যন্ত প্রায় ৬৭২০ জন নিরক্ষর গরীব অসহায় মহিলাকে অক্ষরজ্ঞানদানসহ সচেতন করা হয়েছে।

* দক্ষতা উন্নয়ন মুলক প্রশিক্ষণ: অনগ্রসর অবহেলিত বেকার মহিলাদের আত্মকর্মসংস্থান আয় বর্ধক কর্মকান্ডে সম্পৃক্ত করার লক্ষ্যে জাতীয় মহিলা সংস্থা দর্জ্জিবিজ্ঞান, এমব্রয়ডারী, ব্লক বাটিক, চামড়া জাত শিল্প ও কম্পিউটার ইত্যাদি বিষয়ে দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়ে থাকে। সংস্থার প্রধান কার্যালয় ছাড়াও ৬৪টি জেলায় এবং কয়েকটি উপজেলায় এ প্রশিক্ষনের সুযোগ রয়েছে। ২০০৯ হতে ২০১০ পর্যন্ত প্রায় ৬৯৪২ জন মহিলাকে উল্লেখিত প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে।

* স্ব-কর্ম সহায়ক ঋণ কার্যক্রম: মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ তহবিল হতে (১৯৯২ ও ১৯৯৬ সালে) প্রাপ্ত ১২০.০০ লক্ষ টাকার (এককালীন) তহবিল (আর্বতক) দ্বারা পরিচালিত স্ব-কর্ম সহায়ক ঋণ কার্যক্রমের আওতায় দরিদ্র, বেকার ও উদ্যোগী মহিলাদের অর্থ-উপার্জনকরী বিভিন্ন কর্মসূচী ও উদ্যোগ গ্রহণের মাধ্যমে আত্মকর্মসংস্থানের জন্য দেশের ৬৪ জেলা ও ২৮ উপজেলা শাখার মাধ্যমে এ কার্যক্রম বাস্তবায়িত হচ্ছে। এ কার্যক্রমে একক বা দলগতভাবে ৫,০০০/- টাকা থেকে ২০,০০০/- টাকা পর্যন্ত ঋণ প্রদান করা হয়। এ কার্যক্রমের আওতায় এ পর্যন্ত মোট ৪৮৯৫ জন মহিলাকে আত্মকর্মসংস্থান ও অর্থনৈতিকভাবে সবাবলম্বী হওয়ার লক্ষ্যে ২৫৪.১৫ লক্ষ টাকার (মূল ১১৪.০০ লক্ষ টাকা, আবর্তক ১৪০.১৫ লক্ষ টাকা) ঋণ বিতরণ করা হয়েছে।

* মহিলাদের আত্ম কর্মসংস্থানের লক্ষ্যে ক্ষুদ্র ঋণ কার্যক্রম: মহিলাদের আত্ম কর্মসংস্থানের লক্ষ্যে ক্ষুদ্র ঋণ পরিচালনার জন্য জাতীয় মহিলা সংস্থার অনুকুলে ১৩৫০.০০ লক্ষ টাকা বরাদ্দ (আবর্তক) পাওয়া যায়। প্রাপ্ত অর্থ ঘূর্ণায়মান আকারে সংস্থার ৪৮ উপজেলা এবং ৫৮ সদর উপজেলা শাখা নিয়ে মোট ১০৬ টি শাখা অফিসের মাধ্যমে মাথাপিছু ৫০০০/-টাকা থেকে ১৫০০০/-টাকা ঋণ বিতরণ করা হয়েছে। উক্ত অর্থে এযাবৎ ২৫৯৭০ জন মহিলার মাঝে জুলাই/১০ পর্যন্ত ঘূর্ণায়মান পদ্ধতিতে ২৫,১৮,৬৩,৪৬৬/- টাকা বিতরণ করা হয়েছে এবং আদায় হয়েছে ১৭,৪০,৩৫.০২৬/- টাকা। আদায়ের হার ৬৯%।

* নারী নির্যাতন প্রতিরোধ সেল: নারী নির্যাতন প্রতিরোধ ও নারীর আইনগত অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে জাতীয় মহিলা সংস্থার কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে একটি “নারী নির্যাতন প্রতিরোধ সেল” আছে। নির্যাতিত মহিলাগন এ সেলের মাধ্যমে বিনা খরচে আইনগত সহায়তা পেয়ে থাকেন। এ সেল স্থাপিত হবার পর এ পর্যন্ত উক্ত সেলের মাধ্যমে ২০৭৬ জন মহিলাকে আইনগত সহায়তা প্রদানসহ কাবিন ও ভরন পোষন বাবদ ২০,১৮,৫০০/-টাকা আদায় করে দেয়া হয়েছে। শুধুমাত্র জানুয়ারী ’২০০৯ সাল হতে আগষ্ট’ ২০১০ পর্যন্ত সময়ে এ সেলের মাধ্যমে ২৫০ জন মহিলাকে আইনগত সহায়তা দেয়া হয়েছে এবং মোহরানা ও খোরপোষ বাবদ বিবাদীর কাছ থেকে বাদিনীকে আদায় করে দেয়া হয়েছে ৫,৩৯,৫০০/-  টাকা।

* নারী শিশু পাচার প্রতিরোধ: নারী ও শিশু পাচার প্রতিরোধকল্পে নিয়মিত কার্যক্রমে জাতীয় মহিলা সংস্থা শাখাসমূহে উঠোন বৈঠকের মাধ্যমে এপ্রিল ২০০৯ হতে সেপ্টেম্বর ২০১০ পর্যন্ত ৩৯৭টি উঠোন বৈঠকের মাধ্যমে ৬১১৬ জন অসহায় মহিলা অংশগ্রহণ করেন।

* যৌতুক বাল্য বিবাহ প্রতিরোধ: যৌতুক ও বাল্য বিবাহ প্রতিরোধকল্পে সচেতনতা কর্মসূচী হিসেবে জাতীয় মহিলা সংস্থার সকল জেলা ও উপজেলা শাখার উদ্যোগে নিয়মিত কার্যক্রম হিসেবে উঠোন বৈঠক অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এপ্রিল ২০০৯ হতে সেপ্টেম্বর ২০১০ পর্যন্ত উঠান বৈঠকে ৭০৪২ জন অংশগ্রহণ করেন।

* শহীদ আইভী রহমান কর্মজীবি মহিলা হোষ্টেল: কর্মজীবি মহিলাদের আবাসনের লক্ষ্যে সংস্থার ভবন কমপ্লেক্সের ৯ম থেকে ১২ তলায় ২০০ শয্যা বিশিষ্ট একটি মহিলা আবাসিক হোষ্টেল রয়েছে। রাজধানীর কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত মনোরম পরিবেশের এই আবাসিক হোষ্টেলটি ঢাকার কর্মজীবি মহিলাদের আবাসন সংকট নিরসনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

* শিশু দিবাযত্ন কেন্দ্র: মধ্যবিত্ত এবং নিম্নবিত্ত কর্মজীবি মহিলাদের সন্তানদের জন্য ভবনটির ৬ষ্ঠ তলায় একটি ডে-কেয়ার সেন্টার রয়েছে। ৫০ আসন বিশিষ্ট এই ডে-কেয়ার সেন্টারটি পরিচালনার জন্য একজন তত্ত্বাবধায়ক, একজন শিক্ষিকা কাম স্বাস্থ্য সহকারী এবং একজন আয়া রয়েছে। বাচ্চা প্রতি ভর্তি ফি ৫০০/-টাকা এবং মাসিক ফি ৩০০/-টাকা। সরকারী ছুটির দিন ব্যতীত প্রতি কর্মদিবসের সকাল ৮.৩০ মিঃ হতে সন্ধ্যা ৬.০০ টা পর্যন্ত সেন্টারটির কার্যক্রম পরিচালিত হয়।

* অত্যাধুনিক মিলনায়তন: জাতীয় মহিলা সংস্থার প্রধান কার্যালয়ের ৩য় তলায় রয়েছে ৩০০ আসনের এক সুবিস্তৃত শিতাতপ নিয়ন্ত্রিত মিলনায়তন। যে কোন সভা (রাজনৈতিক কার্যক্রম ব্যতীত)/সেমিনার/সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান করার জন্যে এ মিলনায়তন নির্ধারিত হারে (মাত্র ১৩,২০০/- টাকায়) প্রতিদিনের জন্যে ভাড়া প্রদান করা হয়ে থাকে। উল্লেখ্য, অত্র ভবনে নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ নিশ্চিত করার জন্যে ৭০০কেভি জেনারেটর চালু রয়েছে।

* কনফারেন্স কক্ষ: জাতীয় মহিলা সংস্থার প্রধান কার্যালয়ের ৭ম তলায় রয়েছে ৪০/৫০ আসনের শিতাতপ নিয়ন্ত্রিত কনফারেন্স কক্ষ, যা নির্ধারিত ভাড়ায় (প্রতিদিনের জন্যে ৮,৪০০/-টাকা) সভা/সেমিনার করার জন্যে ভাড়া প্রদান করা হয়ে থাকে। উল্লেখ্য, প্রধান ভবনে রয়েছে আধুনিক লিফটের ব্যবস্থা।

* ওয়েবসাইট চালুকরণ: মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের নির্দেশে এবং ই-গর্ভন্যান্স চালু তথা ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে গত ১লা মার্চ, ২০১০ তারিখে মাননীয় চেয়ারম্যান কর্তৃক উদ্বোধনের মাধ্যমে জাতীয় মহিলা সংস্থার নিজস্ব অফিসিয়েল ওয়েবসাইট ‘www.jms.gov.bd’ চালু হয়েছে। Websiteটিতে জাতীয় মহিলা সংস্থার আইন, লক্ষ্য, উদ্দেশ্য ও কার্যক্রম সম্পর্কিত যাবতীয় তথ্যাদি অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘোষিত ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ায় এবং রূপকল্প-২০২১ বাস্তবায়নে জাতীয় মহিলা সংস্থার ওয়েবসাইট/পোর্টাল বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখবে।

জাতীয় মহিলা সংস্থার কার্যক্রম এর হালনাগাদ তথ্য বিবরনী

(২০০৯ সাল হতে জানুয়ারী, ২০১১ পর্যন্ত)

* অগ্নি নির্বাপন প্রশিক্ষন: ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তর, ঢাকা বিভাগ এর সহযোগিতায় জাতীয় মহিলা সংস্থার ১২ তলা ভবনে রক্ষিত অগ্নি নির্বাপক যন্ত্রসমূহ পরীক্ষা এবং কর্মকর্তা/কর্মচারীদের অগ্নি নির্বাপন ও অগ্নি প্রতিরোধ সম্পর্কে এপ্রিল ২০০৯ এ ২ দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়।

* বিশেষ মিলাদ দোয়া মাহফিল (.এম ওয়াজেদ মিয়া স্মরণে): বিশিষ্ট পরমানু বিজ্ঞানী, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বামী ডঃ এম এ ওয়াজেদ মিয়া স্মরনে বিশেষ মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

আন্তর্জাতিক খ্যাতি সম্পন্ন বিশিষ্ট পরমানু বিজ্ঞানী বাংলাদেশ আনবিক শক্তি কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যান, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জামাতা, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা’র স্বামী ড. এম, এ, ওয়াজেদ মিয়ার মৃত্যূতে জাতীয় মহিলা সংস্থার উদ্যোগে তাঁর বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করে ২৫-৫-০৯ ইং তারিখ বিকাল ৪.০০ ঘটিকায় জাতীয় মহিলা সংস্থা অডিটরিয়াম-এ এক দোয়া ম্হাফিলের আয়োজন করা হয়। মাহফিলে মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়। এইঅনুষ্ঠানে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী এ্যাডভোকেট সাহারা খাতুন এমপি, মহিলা ও শিশু বিষয়ক সংসদীয় স্থায়ী কমিটির মাননীয় চেয়ারম্যান ও সাংসদ মেহের আফরোজ চুমকি, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাননীয় সচিব রোকেয়া সুলতানা, জাতীয় মহিলা সংস্থার চেয়ারম্যান অধ্যাপক মমতাজ বেগম এ্যাডভোকেট, সংস্থার নির্বাহী কমিটি ও পরিচালনা পরিষদের সদস্যবৃন্দ ও পদস্থ কর্মকর্তাগন উপস্থিত ছিলেন।

* জাতীয় শোক দিবস, ২০০৯ উদযাপন: সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের ৩৪তম শাহদাত বার্ষিকী উপলক্ষ্যে জাতীয় মহিলা সংস্থার উদ্যোগে ১০ আগস্ট ২০০৯ সোমবার বিকাল ৪.০০ ঘটিকায় এক আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। এই অনুষ্ঠানে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব বেগম রোকেয়া সূলতানা। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জাতীয় মহিলা সংস্থার চেয়ারম্যান অধ্যাপক মমতাজ বেগম।

জাতীয় শোক দিবস ১৫ আগস্ট, ২০০৯ সকাল ৯.০০ টায় জাতীয় মহিলা পক্ষ থেকে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পন করা হয় এবং অতঃপর বনানী কবরস্থানে বঙ্গবন্ধু পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের কবরে পুস্পস্তবক অর্পণ করা হয়।

জাতীয় মহিলা সংস্থার সকল জেলা ও উপজেলা শাখায় যথাযোগ্য মর্যাদায় জাতীয শোক দিবস উদ্যাপন করা হয়।

* বিশেষ মিলাদ দোয়া মাহফিল (শহীদ আইভি রহমান স্মরণে): জাতীয় মহিলা সংস্থার মিলনায়তনে ২১আগস্ট ২০০৪-এ বর্বরোচিত গ্রেনেড হামলায় নিহত জাতীয় মহিলা সংস্থার প্রয়াত চেয়ারম্যান বিশিষ্ট সমাজসেবী, নারীনেত্রী ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব শহীদ আইভি রহমান-এর পঞ্চম মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষ্যে গত ২০আগস্ট ২০০৯ বৃহষ্পতিবার বিকাল ৪.০০ টায় জাতীয় মহিলা সংস্থা এক দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। এই অনুষ্ঠানে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী, মহিলা সংসদ সদস্যবৃন্দ, সংস্থার নির্বাহী কমিটি, পরিচালনা পরিষদের সদস্যবৃন্দ ও সংস্থার চেয়ারম্যান, নির্বাহী পরিচালক এবং মন্ত্রণালয়ের পদস্থ কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে জাতীয় মহিলা সংস্থার প্রয়াত চেয়ারম্যান শহীদ আইভি রহমান-এর বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করে দোয়া করা হয়।

* ঈদ মেলা ২০০৯: জাতীয় মহিলা সংস্থা প্রাঙ্গনে সংস্থার উদ্যোগে নারী উদ্যোক্তাদের উদপাদিত পণ্য প্রদর্শনী ও বিক্রয়ের লক্ষ্যে নারী উদ্যোক্তাদের অংশগ্রহণে বিরাট ঈদ মেলা অনুষ্ঠিত হয়। মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী উক্ত ঈদ মেলার উদ্বোধন করেন।

ঈদুল ফিতর উপলক্ষে জাতীয় মহিলা সংস্থার উদ্যোগে ২৭ আগস্ট হতে ০৫ সেপ্টেম্বর ২০০৯ তারিখ পর্যন্ত ১০ দিন ব্যাপি সংস্থা প্রাঙ্গনে এক ঈদ মেলার আয়োজন করা হয়। এই মেলায় বাংলাদেশের সকল অঞ্চলের নারী উদ্যোক্তাদের উৎপাদিত পণ্য সামগ্রী প্রদর্শন ও বিক্রয়ের ব্যবস্থা করা হয়। মেলায় দেশের বিভিন্ন অঞ্চল হতে ৬০ জন মহিলা উদ্যোক্তা অংশ গ্রহন করেন। গত ২৭আগস্ট ২০০৯ বৃহষ্পতিবার সকাল ১০.০০ ঘটিকায় মেলার শুভ উদ্বোধন করেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী এমপি। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মহিলা সংসদ সদস্যবৃন্দ, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব বেগম রোকেয়া সুলতানা, সংস্থার চেয়ারম্যান অধ্যাপক মমতাজ বেগম এ্যাডভোকেট, সংস্থার পরিচালনা পরিষদের সদস্যবৃন্দ, সংস্থার নির্বাহী কমিটির সদস্যবৃন্দ, সংস্থার নির্বাহী পরিচালক, পরিচালক ও মন্ত্রণালয়ের পদস্থ কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

* নবনিযুক্ত জেলা চেয়ারম্যানদের ওরিয়েন্টশন কর্মসূচীঃ গত ১১ ও ১২ নভেম্বর ২০০৯ তারিখে সংস্থার প্রধান কার্যালয়ে জাতীয় মহিলা সংস্থার “নবনিযুক্ত জেলা চেয়ারম্যানদের ওরিয়েন্টশন কর্মসূচী”র আয়োজন করা হয়। গত ১১ নভেম্বর বুধবার সকাল ১০.০০ ঘটিকায় উল্লেখিত কর্মসূচীর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী এমপি। অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাননীয় সংসদ সদস্য ও মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান বেগম মেহের আফরোজ চুমকি, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব বেগম রোকেয়া সুলতানা এবং  প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়-এর মহাপরিচালক বেগম দীনা হক। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জাতীয় মহিলা সংস্থার চেয়ারম্যান অধ্যাপক মমতাজ বেগম এ্যাডভোকেট। অনুষ্ঠানে জাতীয় মহিলা সংস্থার পরিচালনা পরিষদ ও নির্বাহী কমিটির সদস্যবৃন্দ, মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাবৃন্দ ও আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী এমপি বলেন ভিশন ২০২১ বাস্তবায়নে নারী সমাজের আর্থ সামাজিক উন্নয়ন খুবই জরুরী। জেলা চেয়ারম্যানদেও নারীর আর্থ সামাজিক উন্নয়নের অগ্রণী ভ’মিকা পালন করতে হবে। তিনি দুই দিনের অধিবেশনে অংশ নেন এবং জাতীয় মহিলা সংস্থার মাঠ পর্যায়ের কার্যক্রম বিষয়ে নবনিযুক্ত চেয়ারম্যানদের সাথে মত বিনিময় করেন এবং প্রয়োজনীয় দিক নির্দেশনা দেন।

* মহিলা মুক্তিযোদ্ধা সম্মর্ধনা, ২০০৯: মহান বিজয় দিবস, ২০০৯ উপলক্ষ্যে গত ২২ ডিসেম্বর মঙ্গলবার বিকাল ৪.৩০ টায় জাতীয় মহিলা সংস্থার উদ্যোগে মহান মুক্তিযুদ্ধে অবিস্মরণীয় ভূমিকার জন্য ১০জন বিশিষ্ট মহিলা মুক্তিযোদ্ধাকে সংবর্ধনা দেয়া হয়। জাতীয় মহিলা সংস্থার উদ্যোগে প্রথমবারের মত আয়োজিত অত্র সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জাতীয় মহিলা সংস্থার মাননীয় চেয়ারম্যান, বিশিষ্ট মুক্তিযোদ্ধা, প্রাক্তন এমএনএ, এম.সি.এ ও এমপি অধ্যাপক মমতাজ বেগম এ্যাডভোকেট। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের মাননীয় সংসদ উপনেতা সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী এম,পি। উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী ডঃ শিরীন শারমিন চৌধুরী, এমপি এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির মাননীয় চেয়ারম্যান মেহের আফরোজ চুমকি এম,পি,। সংবধিতরা হলেন সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী, মতিয়া চৌধুরী,  ডাঃ  মাখদুমা  নার্গিস রতœা,  জিনাতুন  নেসা  তালুকদার, অধ্যাপিকা জান্নাতুল ফেরদৌস, রাফিয়া আখতার ডলি, ফরিদা খানম সাকি, ভারতী নন্দী সরকার, আইভি রহমান (মরণোত্তর) ও এসএম মনোয়ারা বেগম মনু (মরণোত্তর)।

প্রধান অতিথির বক্তৃতায় সংসদ উপনেতা সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী বলেন, আমরা দেশ ও মানুষকে ভালবেসে কাজ করছি। ভবিষ্যতেও এ কাজ কওে যাব। রাজাকারদেও বিচার এই বাংলার মাটিতেই করতে হবে। কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী বলেন, পরাধীনতার শৃঙ্খল থেকে বাঙ্গালি মুক্তি পাবে এ স্বপ্ন নিয়ে আমরা মুক্তিযুদ্ধ করেছি। কিন্তু সেই স্বপ্নকে ১৯৭৫ সালে হত্যা করা হয়। চক্রান্ত দিয়ে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে আড়াল করার চেষ্টা করা হয়েছে।

* ‘নারী নির্যাতন প্রতিরোধকল্পে কার্যকর পদক্ষেপশীর্ষক এক জাতীয় সেমিনারঃ গত ২১শে জানুয়ারী ২০১০ বৃহষ্পতিবার সকাল ১১.০০ টায় জাতীয় মহিলা সংস্থা কনফারেন্স রুমে “নারী নির্যাতন প্রতিরোধ কল্পে কার্যকর পদক্ষেপ” শীর্ষক এক জাতীয় সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী ড.শিরীন শারমিন চৌধুরী এম,পি, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি মেহের আফরোজ চুমকী এমপি, এব মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব রাজিয়া বেগম এনডিসি। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জাতীয় মহিলা সংস্থার চেয়ারম্যান অধ্যাপক মমতাজ বেগম এ্যাডভোকেট প্রাক্তন এমসিএ ও এমপি। অনুষ্ঠানে সম্মানিত মহিলা এমপি ও সমাজের বিভিন্ন স্তরের গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। বক্তারা নারী নির্যাতন প্রতিরোধকল্পে বিভিন্ন সুপারিশমালা তুলে ধরেন এবং দিক নির্দেশনামূলক বক্তব্য রাখেন। অনুষ্ঠান আয়োজনে সার্বিক সহযোগীতা করেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ‘নারী নির্যাতন প্রতিরোধকল্পে মাল্টি সেক্টরাল প্রোগ্রাম’।

* বঙ্গবন্ধুর খুনীদের ফাঁসির রায় কার্যকর হওয়ায় শোকরানা আদায়ঃ জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের খুনীদের ফাঁসির রায় কার্যকর হওয়ার পর জাতীয় মহিলা সংস্থার পক্ষ হতে শোকরানা আদায় করা হয়। গত ৩১-০১-২০১০ ইং সকাল ৯.০০ টায় প্রথমে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও পরে বনানী কবরস্থানে বঙ্গবন্ধু পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের কবরে পুষ্পস্তবক অর্পন করেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী ড.শিরীন শারমিন চৌধুরী এমপি, জাতীয় মহিলা সংস্থার চেয়ারম্যান অধ্যাপক মমতাজ বেগম এ্যাডভোকেট, প্রাক্তন এমসিএ ও এমপি এবং জাতীয় মহিলা সংস্থার নির্বাহী কমিটি ও পরিচালনা পরিষদের সদস্যবৃন্দ।

* ভাষা সৈনিক সম্মর্ধনাঃ আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ২০১০ ও মহান শহীদ দিবস উপলক্ষ্যে ভাষা সৈনিক বেগম রওশন আরা বাচ্চুকে জাতীয় মহিলা সংস্থার পক্ষ হতে সংবর্ধনা দেয়া হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী ডঃ শিরীন শারমিন চৌধুরী, এমপি।

গত ১৮-০২-২০১০ ইং বিকাল ৩.০০ টায় জাতীয় মহিলা সংস্থা অডিটরিয়ামে ভাষা সৈনিক সংবর্ধনা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। জাতীয় মহিলা সংস্থার মাননীয় চেয়ারম্যান, বিশিষ্ট মুক্তিযোদ্ধা, প্রাক্তন এমএনএ, এম.সি.এ ও এমপি অধ্যাপক মমতাজ বেগম এ্যাডভোকেট এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উক্ত ভাষা সৈনিক সংবর্ধনা ও আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী এমপি, মাননীয় প্রতিমন্ত্রী, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়। বিশিষ্ট ভাষা সৈনিক বেগম রওশন আরা বাচ্চু তাঁর বক্তব্যে বাহান্নর ভাষা আন্দোলনের অভিজ্ঞতার কথা বর্ণনা করেন এবং কিভাবে আন্দোলন দানা বেঁধে উঠে তার সত্যিকার ইতিহাস তুলে ধরেন। মাননীয় প্রতিমন্ত্রী মহোদয় তাঁর বক্তব্যে ভাষা আন্দোলন ও স্বাধীনতা আন্দোলনে বঙ্গবন্ধুর অবদানের কথা তুলে ধরেন। অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে অধ্যাপক মমতাজ বেগম এ্যাডভোকেট তাঁর বক্তব্যে ৪৭-৫২ পর্যন্ত বিভিন্ন আন্দোলনে মহিলাদের অবদানের কথা তুলে ধরেন। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব রাজিয়া বেগম এনডিসি এবং ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন জাতীয় মহিলা সংস্থার নির্বাহী পরিচালক তসলিম আরা বেগম।

অনুষ্ঠানে ২০১০সালে একুশে পদকের জন্যে মনোনীত হওয়ায় বিশিষ্ট নৃত্যশিল্পী বেগম লায়লা হাসানকে পুষ্পস্তবক প্রদানের মাধ্যমে সম্মাণ জানানো হয়।

‘বহ্নিশিখা’ সংগীত শিল্পীগোষ্ঠী’র বিশেষ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং বিশিষ্ট নৃত্যশিল্পী বেগম লায়লা হাসান’র পরিচালনায় ‘নটরাজ’ পরিবেশিত নৃত্যালেখ্য ‘প্রদীপ জ্বালি একুশ স্মৃতির’ মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে।

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ও মহান একুশে ফেব্রুয়ারী উপলক্ষ্যে জাতীয় মহিলা সংস্থার নির্বাহী পরিচালক তসলিম আরা বেগম-এর নেতুত্বে জাতীয় মহিলা সংস্থা ও সংস্থা পরিচালিত প্রকল্পের কর্মকর্তা/কর্মচারীগন প্রভাত ফেরী অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ২১ শে ফেব্র“য়ারী ২০১০ সকাল ৭.০০ টায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুস্পস্তবক অর্পন করেন।

* আন্তর্জাতিক নারী দিবসঃ আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষ্যে জাতীয় মহিলা সংস্থা অন্যান্য সহযোগী প্রতিষ্ঠানের সাথে ৮ মার্চ ২০১০ ইং সকাল ৮.০০ টায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে একত্রিত হয়ে র‍্যালির মাধ্যমে প্রেস ক্লাব ঘুড়ে বাংলাদেশ শিশু একাডেমী প্রাঙ্গনে একত্রিত হন। সেখানে মাননীয় প্রতিমন্ত্রী ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী, এমপি, জাতীয় মহিলা সংস্থার চেয়ারম্যান অধ্যাপক মমতাজ বেগম এ্যাডভোকেট এবং মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের মহা পরিচালক রওশনআরা বেগম হস্তশিল্প মেলার উদ্বোধন করেন। একই সাথে আর্ন্তজাতিক নারী দিবস শতবর্ষ উদ্যাপন অনুষ্ঠান উপলক্ষ্যে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে দিনব্যাপী সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।

যথাযোগ্য মর্যাদায় আনন্দঘন পরিবেশে সংস্থার ৬৪টি জেলা শাখা ও ৪৮টি উপজেলা শাখায় আর্ন্তজাতিক নারী দিবস ২০১০ আনুষ্ঠানিকভাবে উদযাপন করা হয়।

* জাতীয় শিশু দিবস উদযাপনঃ জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্ম দিন ও জাতীয় শিশু দিবস ২০১০ যথাযোগ্য মর্যাদা ও আনন্দঘন পরিবেশে ৬৪টি জেলা শাখা ও ৪৮টি উপজেলা শাখায় আনুষ্ঠানিকভাবে উদযাপন করা হয়।

* স্বাধীনতা দিবস উদ্যাপনঃ মহান স্বাধীনতা দিবস, ২০১০ সকল জেলা ও উপজেলা শাখার মাধ্যমে যথাযোগ্য মর্যাদায় ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে উদযাপন করা হয়।

* উপজেলা পরিষদে নির্বাচিত মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রশিক্ষনঃ জুন, ২০১০ মাসে ২ কিস্তিতে উপজেলা পরিষদের নির্বাচিত ৮০ জন মহিলা ভাইস চেয়ারম্যানকে রাজনৈতিক ক্ষমতায়ন ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় নারীর অংশগ্রহণ বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়। প্রথম ব্যাচে গত ২০শে জুন ২০১০ রবিবার সকাল ১০.০০ মি: টায় জাতীয মহিলা সংস্থার প্রধান কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত নির্বাচিত মহিলা ভাইস চেয়ারম্যানদের দুই দিন ব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মসূচীর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী এমপি। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ভার প্রাপ্ত সচিব, রাজিয়া বেগম এনডিসি। অনুষ্ঠানে সভাপত্ত্বি করেন জাতীয় মহিলা সংস্থার চেয়ারম্যান অধ্যাপক মমতাজ বেগম এ্যাডভোকেট। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন জাতীয় মহিলা সংস্থার নির্বাহী পরিচালক তসলিম আরা বেগম।

২য় ব্যাচে গত ৩০ শে জুন ২০১০ বুধবার জাতীয় মহিলা সংস্থার প্রধান কার্যালয়ে “রাজনৈতিক ক্ষমতায়ন ও সিদ্ধান্ত গ্রহন প্রক্রিয়ায় নারীর অংশ গ্রহণ বৃদ্ধির লক্ষ্যে উপজেলা পরিষদের নির্বাচিত মহিলা ভাইস চেয়ারম্যানদের দুই দিন ব্যাপী প্রশিক্ষণ” কর্মসূচীর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সকাল ৯.৩০ মি: প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী এ্যাডভোকেট সাহারা খাতুন এমপি। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি বেগম মেহের আফরোজ চুমকি এমপি। অনুষ্ঠানে সভাপত্ত্বি করেন জাতীয় মহিলা সংস্থার চেয়ারম্যান অধ্যাপক মমতাজ বেগম এ্যাডভোকেট। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব, রাজিয়া বেগম এনডিসি ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন জাতীয মহিলা সংস্থার নির্বাহী পরিচালক তসলিম আরা বেগম।

* দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ: মাঠ পর্যায়ে জেলা চেয়ারম্যান ও সদস্যবৃন্দ, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের দক্ষতা উন্নয়নে গত এপ্রিল ও মে, ২০১০ মাসে ৭টি বিভাগে পর্যায়ক্রমে দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়েছে। সংস্থার মাননীয় চেয়ারম্যান অধ্যাপক মমতাজ বেগম এ্যাডভোকেট এর নেতৃত্বে পরিচালনা পরিষদ ও নির্বাহী কমিটির সদস্যবৃন্দ, নির্বাহী পরিচালক, পরিচালক ও প্রকল্প পরিচালকদ্বয় প্রশিক্ষণ প্রদান করেন। জাতীয় মহিলা সংস্থার ৬৪টি জেলা শাখা ও ৪৮ টি উপজেলা শাখার জেলা চেয়ারম্যান, সদস্য, জেলা নির্বাহী অফিসার, কো-অডিনেটর ও উপজেলা অফিস সহকারীদের প্রশিক্ষণ কর্মসূচী বাস্তবায়নের জন্য ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী মহোদয়-এর নির্দেশনা অনুযায়ী ৭টি বিভাগীয় শহরে যথাক্রমে গত ৭-৪-২০১০ তারিখ ঢাকা বিভাগের প্রশিক্ষণ কর্মসূচী এবং ২০-৪-২০১০ তারিখে বরিশাল বিভাগ, ২৯-৪-২০১০ তারিখে খুলনা বিভাগ, ৫-৫-২০১০ তারিখে চট্রগ্রাম বিভাগ, ১২-৫-২০১০ তারিখে সিলেট, ২৭-৫-২০১০ তারিখে রংপুর এবং ২৯-৫-২০১০ তারিখে রাজশাহী বিভাগে প্রশিক্ষন কর্মসূচী সম্পন্ন করা হয়।

ঢাকা বিভাগঃ গত ৭ এপ্রিল ২০১০ তারিখ ঢাকা বিভাগের প্রশিক্ষনে ১৬ টি জেলা শাখার চেয়ারম্যান, সদস্য, জাতীয় মহিলা সংস্থার প্রধান কার্যালয়ের কর্মকর্তবৃন্দ ও জেলা কর্মকর্তা এবং ১৭উপজেলা শাখার অফিস সহকারীসহ মোট ১১৩ জন প্রশিক্ষনার্থী অংশ গ্রহন করেন। সকাল ১০.০০ টায় উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী এমপি,। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জাতীয মহিলা সংস্থার সম্মানিত চেয়ারম্যান অধ্যাপক মমতাজ বেগম এ্যাডভোকেট (প্রাক্তন এমপি)। অনুষ্ঠানে জাতীয় মহিলা সংস্থার নির্বাহী কমিটি সদস্য অধ্যাপক হুসনে আরা বেগম, এ্যাডভোকেট আদিবা আঞ্জুম মিতা, এ্যাডভোকেট ইয়াদিয়া জামান, বেগম ফজিলাতুন্নেসা ইন্দিরা ও পরিচালনা পরিষদের সম্মানিত সদস্য বেগম ফরিদা খানম সাকি, মঞ্জু নাজনীন এ্যাডভোকেট, বেগম ফজিলাতুননেসা বাপ্পি ও শ্রীমতি বনশ্রী বিশ্বাস স্মৃতিকণা উপস্থিত ছিলেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন জাতীয় মহিলা সংস্থার নির্বাহী পরিচালক তসলিম আরা বেগম।

বরিশাল বিভাগ: গত ২০ এপ্রিল ২০১০ তারিখ বরিশাল বিভাগের প্রশিক্ষন কার্যক্রম বরিশাল সার্কিট হাউজে অনুষ্ঠিত হয়। এই প্রশিক্ষনে বরিশাল বিভাগের ৬ টি জেলা শাখার চেয়ারম্যান, সদস্য, জেলা কর্মকর্তা এবং ৬ টি উপজেলা শাখার অফিস সহকারীসহ মোট ৩১ জন প্রশিক্ষনার্থী অংশ গ্রহন করেন। সকাল ১০.০০ টায় অনুষ্ঠিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শাহানারা বেগম, বিশিষ্ট সমাজসেবী। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জাতীয় মহিলা সংস্থার সম্মানিত চেয়ারম্যান অধ্যাপক মমতাজ বেগম এ্যাডভোকেট (প্রাক্তন এমপি)। অনুষ্ঠানে জাতীয় মহিলা সংস্থার নির্বাহী কমিটি সদস্য এ্যাডভোকেট আদিবা আঞ্জুম মিতা, এ্যাডভোকেট ইয়াদিয়া জামান, ও পরিচালনা পরিষদের সম্মানিত সদস্য বেগম ফজিলাতুননেসা বাপ্পি ও শ্রীমতি বনশ্রী বিশ্বাস স্মৃতিকণা উপস্থিত ছিলেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন জাতীয় মহিলা সংস্থার নির্বাহী পরিচালক তসলিম আরা বেগম।

খুলনা বিভাগ: গত ২৯ এপ্রিল ২০১০ তারিখ খুলনা বিভাগের প্রশিক্ষন কার্যক্রম খুলনা সিটি কর্পোরেশন অডিটরিয়ামে অনুষ্ঠিত হয়। এই প্রশিক্ষনে খুলনা বিভাগের ১০ টি জেলা শাখার চেয়ারম্যান, সদস্য,  জেলা কর্মকর্তা এবং ৬ টি উপজেলা শাখার অফিস সহকারীসহ মোট ৬২ জন প্রশিক্ষনার্থী অংশ গ্রহন করেন। সকাল ১০.০০ টায় উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের শ্রম ও প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী বেগম মুন্নুজান সুফিয়ান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খুলানার সিটি মেয়র জনাব তালুকদার আব্দুল খালেক। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জাতীয় মহিলা সংস্থার সম্মানিত চেয়ারম্যান অধ্যাপক মমতাজ বেগম এ্যাডভোকেট (প্রাক্তন এমপি)। অনুষ্ঠানে জাতীয় মহিলা সংস্থার পরিচালনা পরিষদের সম্মানিত সদস্য শ্রীমতি বনশ্রী বিশ্বাস স্মৃতিকণা উপস্থিত ছিলেন। আমন্ত্রিত অতিথিদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন জনাব কামরুল হক, অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার, রাজস্ব, খুলনা। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন জাতীয় মহিলা সংস্থার নির্বাহী পরিচালক তসলিম আরা বেগম।

চট্টগ্রাম বিভাগ: গত ৫ মে ২০১০ তারিখ চট্রগ্রাম বিভাগের প্রশিক্ষন কার্যক্রম চট্রগ্রাম সার্কিট হাউজে অনুষ্ঠিত হয়। এই প্রশিক্ষনে চট্রগ্রাম বিভাগের ৯ টি জেলা শাখার চেয়ারম্যান, সদস্য ,  জেলা কর্মকর্তা এবং ৭ টি উপজেলা শাখার অফিস সহকারীসহ মোট ৬৫ জন প্রশিক্ষনার্থী অংশ গ্রহন করেন। সকাল ১০.০০ টায় অনুষ্ঠিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী এমপি, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্রগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আলহাজ্ব এ বি এম মহীউদ্দিন চৌধুরী। আমন্ত্রিত অতিথিদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন বেগম চেমন আরা তৈয়ব, মাননীয় সংসদ সদস্য, জনাব শ্যামাপদ দে, অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার এবং জনাব ফয়েজ আহমদ, জেলা প্রশাসক, চট্রগ্রাম। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জাতীয মহিলা সংস্থার সম্মানিত চেয়ারম্যান অধ্যাপক মমতাজ বেগম এ্যাডভোকেট (প্রাক্তন এমপি)। অনুষ্ঠানে জাতীয় মহিলা সংস্থার পরিচালনা পরিষদের সম্মানিত সদস্য বেগম ফরিদা খানম সাকি ও শ্রীমতি বনশ্রী বিশ্বাস স্মৃতিকণা উপস্থিত ছিলেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন জাতীয় মহিলা সংস্থার নির্বাহী পরিচালক তসলিম আরা বেগম এবং ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন জাতীয় মহিলা সংস্থার চট্রগ্রাম জেলা শাখার চেয়ারম্যান বেগম হাসিনা মান্নান।

সিলেট বিভাগ: গত ১২ মে ২০১০ তারিখ সিলেট বিভাগের প্রশিক্ষন কার্যক্রম সিলেট সার্কিট হাউজে অনুষ্ঠিত হয়। এই প্রশিক্ষনে সিলেট বিভাগের ৪ টি জেলা শাখার চেয়ারম্যান, সদস্য ,  জেলা কর্মকর্তা এবং ২ টি উপজেলা শাখার অফিস সহকারীসহ মোট ২৪ জন প্রশিক্ষনার্থী অংশ গ্রহন করেন। সকাল ১০.০০ টায় অনুষ্ঠিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সৈয়দা জেবুন্নেছা হক, মাননীয় সংসদ সদস্য। আমন্ত্রিত অতিথিদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন সিলেট সিটি কর্পোরেশনের মেয়র জনাব বদর উদ্দিন আহমদ কামরান। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জাতীয মহিলা সংস্থার সম্মানিত চেয়ারম্যান অধ্যাপক মমতাজ বেগম এ্যাডভোকেট (প্রাক্তন এমপি)। অনুষ্ঠানে জাতীয় মহিলা সংস্থার পরিচালনা পরিষদের সম্মানিত সদস্য ড. ফেরদৌসি বেগম ও শ্রীমতি বনশ্রী বিশ্বাস স্মৃতিকণা উপস্থিত ছিলেন। পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মধ্যদিয়ে অনুষ্ঠান শুরু করা হয়। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন জাতীয় মহিলা সংস্থার নির্বাহী পরিচালক তসলিম আরা বেগম এবং ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন জাতীয় মহিলা সংস্থার সিলেট জেলা শাখার চেয়ারম্যান বেগম রুবি ফাতেমা ইসলাম।

রংপুর বিভাগঃ গত ২৭ মে ২০১০ তারিখ রংপুর বিভাগের প্রশিক্ষন কার্যক্রম রংপুর সার্কিট হাউজে অনুষ্ঠিত হয়। এই প্রশিক্ষনে রংপুর  বিভাগের ৮ টি জেলা শাখার চেয়ারম্যান, সদস্য,  জেলা কর্মকর্তা এবং ৭ টি উপজেলা শাখার অফিস সহকারীসহ মোট ৫১ জন প্রশিক্ষনার্থী অংশ গ্রহন করেন। সকাল ১০.০০ টায় অনুষ্ঠিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এইচ এন আশিকুর রহমান, মাননীয় সংসদ সদস্য। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাহবুব আরা গিনি, মাননীয় সংসদ সদস্য। আমন্ত্রিত অতিথিদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন জনাব বি এম এনামুল হক, জেলা প্রশাসক, রংপুর। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জাতীয মহিলা সংস্থার সম্মানিত চেয়ারম্যান অধ্যাপক মমতাজ বেগম এ্যাডভোকেট (প্রাক্তন এমপি)। অনুষ্ঠানে জাতীয় মহিলা সংস্থার পরিচালনা পরিষদের সম্মানিত সদস্য বেগম ফরিদা খানম সাকি ও শ্রীমতি বনশ্রী বিশ্বাস স্মৃতিকণা উপস্থিত ছিলেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন জাতীয় মহিলা সংস্থার নির্বাহী পরিচালক তসলিম আরা বেগম এবং ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন জাতীয় মহিলা সংস্থার রংপুর জেলা শাখার চেয়ারম্যান বেগম রোজি রহমান।

রাজশাহী বিভাগ: গত ২৯ মে ২০১০ তারিখ রাজশাহী বিভাগের প্রশিক্ষন কার্যক্রম রাজশাহী সার্কিট হাউজে অনুষ্ঠিত হয়। এই প্রশিক্ষনে রাজশাহী বিভাগের ৯ টি জেলা শাখার চেয়ারম্যান, সদস্য, জেলা কর্মকর্তা এবং ৮ টি উপজেলা শাখার অফিস সহকারীসহ মোট ৫৪ জন প্রশিক্ষনার্থী অংশ গ্রহন করেন। সকাল ১০.০০ টায় উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনাব এ এইচ এম খায়রুজ্জামান লিটন, মেয়র রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনাব ফজলে হোসেন বাদশা এমপি এবং মিসেস আখতার জাহান, সদস্য বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জাতীয মহিলা সংস্থার সম্মানিত চেয়ারম্যান অধ্যাপক মমতাজ বেগম এ্যাডভোকেট (প্রাক্তন এমপি)। অনুষ্ঠানে জাতীয় মহিলা সংস্থার নির্বাহী কমিটির সদস্য এ্যাডভোকেট আদিবা আঞ্জুম মিতা, পরিচালনা পরিষদের সম্মানিত সদস্য শ্রীমতি বনশ্রী বিশ্বাস স্মৃতিকণা উপস্থিত ছিলেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন জাতীয় মহিলা সংস্থার নির্বাহী পরিচালক তসলিম আরা বেগম এবং ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন জাতীয় মহিলা সংস্থার রাজশাহী জেলা শাখার চেয়ারম্যান বেগম মর্জিনা পারভীন।

* ইভটিজিং প্রতিরোধে সামাজিক আন্দোলন: জাতীয় মহিলা সংস্থা কর্তৃক সকল জেলা ও উপজেলা শাখার মাধ্যমে ইভটিজিং প্রতিরোধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলার লক্ষ্যে গত মে ও জুন’১০ মাসে সারা দেশব্যাপী র‍্যালী, মানববন্ধন ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। বর্তমানেও এ কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

* জেন্ডার বিষয়ে দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষন: জাতীয় মহিলা সংস্থা ও মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ‘প্লাজ-২’ প্রকল্পের যৌথ উদ্যোগে গত ২৪-২৭ জুন, ২০১০ তারিখে জাতীয় মহিলা সংস্থার সদস্য এবং কর্মকর্তাদের চারদিন ব্যাপী ‘ট্রেনিং অব ট্রেইনারস্’ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। কর্মশালার শুভ উদ্বোধন করেন জাতীয় মহিলা সংস্থার মাননীয় চেয়ারম্যান অধ্যাপক মমতাজ বেগম এ্যাডভোকেট, প্রাক্তন এমপি, এমএনএ, এমসিএ। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন জাতীয় মহিলা সংস্থার নির্বাহী পরিচালক তসলিম আরা বেগম, যুগ্মসচিব। অনুষ্ঠানে প্লাজ-২ প্রকল্পের জেন্ডার বিষয়ক কনসালটেন্ট বেগম জওশন আরা রহমান, প্রকল্প পরিচালক যুগ্ম সচিব জনাব রিয়াজ আহমেদ, টেকনিক্যাল ফিল্ড ম্যানেজার মিস সিলভী ডুপুয়িস, জেন্ডার স্পেশালিস্ট শ্রীমতি তপতী সাহা ও ইনস্টিটিউশ্যানাল ক্যাপাসিটি বিল্ডিং স্পেশালিস্ট বেগম নিলুফার করিম উপস্থিত ছিলেন।

এই প্রশিক্ষন কর্মশালায় জাতীয় মহিলা সংস্থার পরিচালনা ও নির্বাহী কমিটির সদস্যবৃন্দ, জেলা চেয়ারম্যানসহ সংস্থার কর্মকর্তা সর্বমোট ৩২ জন অংশ গ্রহন করেন। চার দিন ব্যাপী এই প্রশিক্ষণ কর্মশালায় জেন্ডার বিষয়, নারী উন্নয়ন নীতিমালা, সরকারের কর্মপরিকল্পনা ও জাতীয় মহিলা সংস্থার কার্যক্রম বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেয়া হয়।

* বিশেষ মিলাদ দোয়া মাহফিল (শহীদ আইভি রহমান স্মরণে): জাতীয় মহিলা সংস্থার মিলনায়তনে ২১আগস্ট ২০০৪-এ বর্বরোচিত গ্রেনেড হামলায় নিহত জাতীয় মহিলা সংস্থার প্রয়াত চেয়ারম্যান বিশিষ্ট সমাজসেবী, নারীনেত্রী ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব শহীদ আইভি রহমান-এর ৬ষ্ঠ মৃত্যু বার্ষিকীতে গত ২২আগষ্ট ২০১০ রবিবার বেলা ১-০০ঘটিকায় এক দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। এই অনুষ্ঠানে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী এমপি। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন শহীদ আইভি রহমানের সুযোগ্যা কণ্যা বেগম তানিয়া বখ্‌ত। এক মিনিট নীরবতা পালনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সূচণা করা হয়।

মাননীয় প্রধান অতিথি তাঁর বক্তব্যে বর্বরোচিত গ্রেনেড হামলার তীব্র নিন্দা জানান এবং বলেন শহীদ আইভি রহমান বাংলার নারী জাতির অহংকার। শহীদ আইভি রহমান নারী উন্নয়ন ও ক্ষমতায়নে বলিষ্ঠ ভ’মিকা রেখেছেন। এ দেশের নারী সমাজ তাঁর অবদানকে চিরকাল স্মরণে রাখবে। জাতীয় মহিলা সংস্থার চেয়ারম্যান অধ্যাপক মমতাজ বেগম এ্যাডভোকেট শহীদ আইভি রহমানের ব্যক্তি জীবন ও রাজনৈতিক জীবনের উল্লেখযোগ্য ঘটনাবলী তুলে ধরেন। অনুষ্ঠানে জাতীয় মহিলা সংস্থার প্রয়াত চেয়ারম্যান শহীদ আইভি রহমান-এর বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করে দোয়া করা হয়।

দোয়া ও মিলাদ মাহফিলে জাতীয় মহিলা সংস্থার নির্বাহী কমিটি ও পরিচালনা পরিষদের সদস্যবৃন্দ, রাজনৈতিক নেত্রীবৃন্দ, মন্ত্রণালয়ের পদস্থ কর্মকর্তাবৃন্দ, আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ এবং সংস্থার কল কর্মকর্তা/কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

* জাতীয় শোক দিবস, ২০১০ উদযাপন: সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের ৩৫তম শাহদাত বার্ষিকী উপলক্ষ্যে জাতীয় মহিলা সংস্থার উদ্যোগে গত ১লা আগস্ট ২০১০ বিকাল ৪.০০ ঘটিকায় এক আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। অত্র অনুষ্ঠানে মহান জাতীয় সংসদের সংসদ উপ-নেতা সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী এমপি প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী এমপি এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান বেগম মেহের আফরোজ চুমকি এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব বেগম রোকেয়া সূলতানা। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জাতীয় মহিলা সংস্থার চেয়ারম্যান অধ্যাপক মমতাজ বেগম।

জাতীয় শোক দিবস, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের ৩৫তম শাহদাত বার্ষিকী উপলক্ষ্যে জাতীয় মহিলা সংস্থার উদ্যোগে ১৫ আগস্ট ২০১০ সকাল ৭.৩০ ঘটিকায় ধানমন্ডি ৩২নং এ জাতির জনকের প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পন করা হয় এবং অত:পর বনানী কবরস্থানে বঙ্গবন্ধু পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের কবরে পুস্পস্তবক অর্পণ করা হয়।

এছাড়া শোকের মাসে জাতীয মহিলা সংস্থার শ্রদ্ধাঞ্জলি হিসেবে বঙ্গবন্ধুর পলাতক খুনীদের ফাসিঁ কার্যকর করার আহবান সম্বলিত ৫টি প্লেকার্ড ঢাকা শহরের উল্লেখযোগ্য স্থানে টানিয়ে দেয়া হয়।

জাতীয় মহিলা সংস্থার সকল জেলা ও উপজেলা শাখায় যথাযোগ্য মর্যাদায় জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শাহাদাৎ দিবস অর্থাৎ জাতীয শোক দিবস উদ্যাপন করা হয়।

* ঈদ মেলা ২০১০: জাতীয় মহিলা সংস্থা প্রাঙ্গনে সংস্থার উদ্যোগে নারী উদ্যোক্তাদের উদপাদিত পণ্য প্রদর্শনী ও বিক্রয়ের লক্ষ্যে নারী উদ্যোক্তাদের অংশগ্রহণে বিরাট ঈদ মেলা অনুষ্ঠিত হয়। মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী উক্ত ঈদ মেলার উদ্বোধন করেন।

পবিত্র ঈদুল ফেতর উপলক্ষ্যে জাতীয় মহিলা সংস্থার উদ্যোগে সংস্থা প্রাঙ্গনে গত ২৫ আগষ্ট হতে ৩১ আগষ্ট ২০১০ তারিখ পর্যন্ত ৭ দিনব্যাপী ঈদ মেলা অনুষ্ঠিত হয়। দেশের বিভিন্ন অঞ্চল হতে ৪৫জন নারী উদে;্যাক্তা তাদের উৎপাদিত পণ্য সামগ্রী প্রদর্শন বিক্রয় করেন।

গত ২৫আগষ্ট ২০১০ তারিখে সকাল ১০-০০টায মেলার শুভ উদ্বোধন করেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী এমপি। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সংস্থার চেয়ারম্যান অধ্যাপক মমতাজ বেগম এ্যাডভোকেটসহ পরিচালনা পরিষদ ও নির্বহিী কমিটির সদস্যবৃন্দ, নির্বাহী পরিচালকসহ আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

* আন্তর্জাতিক নারী নির্যাতন প্রতিরোধ পক্ষ, ২০১০ উদযাপনঃ আন্তর্জাতিক নারী নির্যাতন প্রতিরোধ পক্ষ ২০১০ উদ্যাপন উপলক্ষ্যে জাতীয় মহিলা সংস্থার উদ্যোগে গত ৮ ডিসেম্বর ২০১০ সকাল ১১.০০ সংস্থার সেমিনার কক্ষে (৭ম তলায়) সংস্থার জেলা চেয়ারম্যান এবং বিভিন্ন নারী সংগঠনের সমন্বয়ে “নারী নির্যাতন প্রতিরোধকল্পে কর্মপরিকল্পনা গ্রহন” শীর্ষক এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী এ্যাডভোকেট সাহারা খাতুন এমপি, অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মাননীয় সচিব জনাব তারিক-উল-ইসলাম। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জাতীয় মহিলা সংস্থার চেয়ারম্যান অধ্যাপক মমতাজ বেগম এ্যাডভোকেট। অনুষ্ঠানে জাতীয় মহিলা সংস্থার নির্বাহী কমিটি ও পরিচালনা পরিষদের সদস্যবৃন্দ, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, জেলা চেয়ারম্যানসহ বিভিন্ন নারী সংগঠনের প্রতিনিধিবৃন্দ এবং জাতীয় মহিলা সংস্থার কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি মাননীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী নারী নির্যাতন প্রতিরোধ ও ইভটিজিং বন্ধে জাতীয় মহিলা সংস্থার জেলা চেয়ারম্যানদের ব্যক্তিগত উদ্যোগের প্রশংসা করেন এবং তিনি নারী নির্যাতন প্রতিরোধ ও ইভটিজিং বন্ধের লক্ষ্যে জেলা শাখার চেয়ারম্যানদের তাঁদের নিজ নিজ জেলা বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে স্কুল কমিটি, সিভিল সোসাইটি ও সরকারের বিভিন্ন দপ্তরের প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে কমিটি গঠন করার পরামর্শ দেন। অনুষ্ঠানের সভাপতি অধ্যাপক মমতাজ বেগম এ্যাডভোকেট নারী নির্যাতন প্রতিরোধ পক্ষ ২০১০ উদ্যাপনে জাতীয় মহিলা সংস্থার জেলা চেয়ারম্যানদের মানব বন্ধন কর্মসূচীর প্রশংসা করেন এবং নারী নির্যাতন প্রতিরোধকল্পে পরবর্তী কর্মসূচী গ্রহনের জন্য প্রত্যেককে ঘরে ঘরে দূর্গ গড়ে তোলার আহবান জানান এবং বলেন “নারীর প্রতি সহিংসতা না বলুন”- স্লোগানের উপর গুরুত্ব আরোপ করেন। বিশেষ অতিথি মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মহোদয় নারী নির্যাতন প্রতিরোধ পক্ষ উদ্যাপনের জাতীয় মহিলা সংস্থার জেলা চেয়ারম্যানদের গৃহীত কর্মসূচীর প্রশংসাকরেন এবং সবাইকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান। বিকাল ৩.০০ ঘটিকায় অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে।

* শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস ২০১০ উদ্যাপনঃ শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস ২০১০ উপলক্ষ্যে জাতীয় মহিলা সংস্থার উদ্যোগে গত ১৪ ডিসেম্বর ২০১০ বেলা ১২.০০ ঘটিকায় সংস্থার সেমিনার কক্ষে এক দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। দোয়া পরিচালনা করেন জাতীয় মহিলা সংস্থার চেয়ারম্যান অধ্যাপক মমতাজ বেগম এ্যাডভোকেট। তিনি জাতির জনক বঙ্গবন্ধ শেখ মুজিবুর রহমান, জাতীয় চার নেতা এবং শহীদ বুদ্ধিজীবীদের আত্মার মাগফিরাত কামনা কওে দোয়া পড়ান। অনুষ্ঠানে জাতীয় মহিলা সংস্থার পরিচালনা পরিষদের সদস্য ড. ফেরদৌসি বেগম ও শ্রীমতি বনশ্রী বিশ্বাস স্মৃতিকনা এবং জাতীয় মহিলা সংস্থার নির্বাহী পরিচালক তসলিম আরা বেগম, পরিচালক, জেলা ভিত্তিক মহিলা কম্পিউটার প্রশিক্ষন প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালকসহ সংস্থার কমৃকর্তা/কমৃচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

* মহিলা মুক্তিযোদ্ধা সম্মর্ধনা, ২০১০ : মহান বিজয় দিবস ২০১০ উপলক্ষ্যে জাতীয় মহিলা সংস্থার উদ্যোগে ১৯ ডিসেম্বর ২০১০ বিকাল ৩.৩০ ঘটিকায় বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব অডিটরিয়ামে “মহিলা মুক্তিযোদ্ধা সংবর্ধনা” প্রদান করা হয়। ১৯৭১ এর মহান মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদান রাখার স্বীকৃতি স্বরূপ ১১জন বিশিষ্ট মহিলা মুক্তিযোদ্ধাকে সংবর্ধনা দেয়া হয়েছে। সম্বর্ধিত মুক্তিযোদ্ধারা হলেন ঃ-

(১) সৈয়দা জোহরা তাজউদ্দীন (২) জাহানারা কামরুজ্জামান (৩) অধ্যাপক মমতাজ বেগম এ্যাডভোকেট (৪) রোকেয়া কবীর (৫) মাজেদা শওকত আলী (৬) খালেদা খানম (৭) রওশন জাহান এমপি (৮) রওশন আরা বেগম, (৯) ডা: লুৎফুন নেসা (১০) ফেরদৌস আরা রুনু (১১) ইলা দাস।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের মাননীয় সংসদ উপনেতা সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী এমপি। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী এমপি। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জাতীয় মহিলা সংস্থার মাননীয় চেয়ারম্যান অধ্যাপক মমতাজ বেগম এ্যাডভোকেট। স্বাগত ভাষণ দেন সংস্থার নির্বাহী পরিচালক তসলিম আরা বেগম।

অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি সকল মুক্তিযোদ্ধার প্রতি সম্মান প্রদর্শন করে বলেন বৃটিশ বিরোধী সংগ্রামী মহিলা প্রীতিলতা, কল্পনা, প্রমুখের জীবনী থেকে উদ্ভূদ্ধ হয়ে রাজনীতিতে তিনি আগ্রহী হয়েছেন। তিনি বঙ্গবন্ধুর সাদামাটা জীবন যাপনের নানাবিধ ঘটনা বর্ণনা করেন। তিনি যুদ্ধাপরাধী, রাজাকারদের বিচার বাংলার মাটিতে এবং এই সরকারের আমলে হওয়ার প্রতিশ্র“তি ব্যক্ত করেন।

অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথি ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী এমপি এদেশের সূর্যসন্তান বীর মুক্তিযোদ্ধাঁদের বিজয়ের অভিনন্দন জানান। সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী জাতির জনক বঙ্গবন্ধুসহ বঙ্গমাতা ও যুদ্ধে শহীদের প্রতি শ্রদ্ধা তিনি জানান। তিনি ১৯৫২ সনের ভাষা আন্দোলন-এর পথ ধরে ১৯৭১-এ বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে স্বাধীনতা সংগ্রামে মহিলাদের সরাসরি অংশ গ্রহন এবং বিভিন্নরূপে বিভিন্নভাবে মহিলাদের মুক্তিযুদ্ধে সাহায্য/সহায়তার বর্ণনা দেন। তিনি মানবতার বিরুদ্ধে অংশগ্রহনকারী যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করায় জোর দাবী জানান।

সভাপতি মহোদয় তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের স্মৃতিচারন করতে গিয়ে বঙ্গবন্ধুর সাথে কাজ করার বিভিন্ন অভিজ্ঞতার কথা উল্লেখ করেন। বৃটিশ বিরোধী আন্দোলনে মহিলাদের কৃতিত্বপূর্ণ অংশগ্রহন থেকে শুরু করে ১৯৭১ এর মুক্তিযুদ্ধ পর্যন্ত মহিলাদের গৌরব উজ্জ্বল দৃষ্টান্তের কথা তিনি উল্লেখ করেন। মহান মুক্তিযেুদ্ধে মহিলাদের বিভিন্নরুপে অংশ গ্রহনের বর্ণনা করে তিনি বলেন মহিলারা বিভিন্নভাবে মুক্তিযুদ্ধকে এগিয়ে নেয়ার সহায়তা করেছেন। তিনি যুদ্ধাপরাধীদের বিচার কার্য দ্রুত সম্পন্ন করার জোর দাবী জানান।

উক্ত অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত মহিলা সংসদ সদস্য, জাতীয় মহিলা সংস্থা নির্বাহী কমিটি, পরিচালনা পরিষদ-এর সদস্যবৃন্দ, মন্ত্রণালয়ের পদস্থ কমৃকর্তাবৃন্দ ও জাতীয় মহিলা সংস্থার কর্মকর্তা/কর্মচারীবৃন্দ এবং আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

* মহিয়সী নারী বেগম রোকেয়া স্মরণে অনুষ্ঠানঃ আন্তর্জাতিক নারী শতবর্ষ বছরব্যাপী উদযাপনের অংশ হিসেবে নারী জাগরণের অগ্রদূত মহিয়সী নারী বেগম রোকেয়া স্মরণে গত ২২ ডিসেম্বও, ২০১০ তারিখে রংপুর জেলার মিঠাপুকুর উপজেলাধীন পায়রাবন্দ-এ এক স্মরন সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী এমপি, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রংপুর-৪ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য জনাব টিপু মনশী ও রংপুর-এর জেলা প্রশাসক জনাব বিএম এনামুল হক এবং মিঠাপুকুরের উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান জনাব জাকির হোসেন সরকার। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জাতীয় মহিলা সংস্থার মাননীয় চেয়ারম্যান অধ্যাপক মমতাজ বেগম এ্যডভোকেট। অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় মহিলা সংস্থার নির্বাহী কমিটির সদস্য এ্যাডভোকেট আদিবা আঞ্জুম মিতা, পরিচালনা পরিষদের সদস্য বণশ্রী বিশ্বাস স্মৃতিকণা, বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের সভানেত্রী আয়েশা খানম, ষ্টেপ-টুওয়ার্ডেস-এর নির্বাহী পরিচালক জনাব রঞ্জন কর্মকার। অনুষ্ঠানে রংপুর জেলা চেয়ারম্যান রোজী রহমান এবং জাতীয় মহিলা সংস্থার পরিচালক জনাব প্রাণেশ রঞ্জন সুত্রধরসহ অনেকেই বক্তব্য রাখেন।

অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী এমপি বলেন বেগম রোকেয়া নারী জাতির অহংকার। তিনি বলেন মহীয়সী নারী বেগম রোকেয়ার স্মৃতিকেন্দ্র পূর্ণাঙ্গভাবে চালু করে থেকে সম্মানণা প্রদানের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এ ছাড়া রোকেয়া রচনাবলী ও তার চিন্তা চেতনা সম্পর্কে ব্যাপক প্রচারণা করার বিষয়ে উদ্যোগ নিতে হবে। তিনি বেগম রোকেয়ার চিন্তা চেতনাকে বাস্তবায়ন করতে সবার প্রতি আহবান জানান। সভাপতি মহোদয় তাঁর বক্তব্যে বঙ্গবন্ধু পরিবার ও চার নেতার প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন এবং বেগম রোকেয়ার আদর্শকে ধারন করে প্রত্যেক ঘরে ঘরে শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দেয়ার আহবান জানান।

* জেন্ডার সমতা অর্জনে জাতীয় মহিলা সংস্থা এবং এনজিও ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের অংশীদারিত্ব শক্তিশালী করণে দিনব্যাপী পরামর্শ সভাঃ গত ০৬-০১-১১ তারিখে জাতীয় মহিলা সংস্থার কনফারেন্স কক্ষে জেন্ডার সমতা অর্জনে জাতীয় মহিলা সংস্থা এবং এনজিও ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের অংশঅদারিত্ব শক্তিশালী করনে দিনব্যাপী পরামর্শ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভার শুভ উদ্বোধন করেন জাতীয় মহিলা সংস্থার চেয়ারম্যান অধ্যাপক মমতাজ বেগম এ্যাডভোকেট। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন সংস্থার পরিচালক জনাব প্রাণেশ রঞ্জন সূত্রধর। অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন প্লাজ-২ প্রকল্পের জেন্ডার এ্যাডভাইজার জওশন আরা রহমান,  প্লাজ-২ প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক ও যুগ্ম সচিব জনাব রিয়াজ উদ্দিন আহমেদ এবং সংস্থার নির্বাহী পরিচালক, জনাব তসলিম আরা বেগম।

পরামর্শ সভার ১ম কর্ম অধিবেশনে বক্তব্য রাখেন জাতীয় আইন সহায়তা প্রদান সংস্থার পরিচালক (জেলা জজ) সৈয়দ আমিনুল ইসলাম। তিনি তাঁর বক্তব্যে দুঃস্থ অসহায় মহিলাদের জন্য আইন সহায়তা প্রদানের ক্ষেত্রে বর্তমান সরকার কর্তৃক প্রদত্ত সেবা সমূহের বিষয়ে আলোচনা করেন এবং জাতীয় মহিলা সংস্থার জেলা কার্যালয়গুলোকে আইন সহায়তা কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহার করার বিষয়টি বিবেচনাধীন বলে জানান। প্লাজ-২ প্রকল্পের জেন্ডার ষ্পেশালিষ্ট জনাব তপতী সাহা সিডও, বাংলাদেশ সরকারের জেন্ডার সমতা নীতিমালা, জাতীয় নারী উন্নয়ন নীতিমালা, ঘঝঅচজ বিষয়ে বক্তব্য তুলে ধরেন। সভাপতি মহোদয় তাঁর বক্তব্যে বঙ্গবন্ধু পরিবার ও চার নেতার প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন এবং পরামর্শ সভায় আগত জাতীয় মহিলা সংস্থার সম্মানিত জেলা চেয়ারম্যান, এনজিও প্রতিনিধিবৃন্দ এবং সুশীল সমাজের প্রতিনিধিবৃন্দকে নিজ নিজ মতামত প্রকাশ করে সঠিক দিক নির্দেশনা দেয়ার জন্য আহবান জানান।

জাতীয় মহিলা সংস্থার কার্যক্রম এর হালনাগাদ তথ্য বিবরনী

(অক্টোবর, ২০১০ মাস পর্যন্ত)

-: চলমান প্রকল্পসমূহ :-

* জেলা ভিত্তিক মহিলা কম্পিউটার প্রশিক্ষণ (২য় পর্যায়) : দেশের সামগ্রিক উন্নয়নে সফলতা অর্জনের ক্ষেত্রে সরকারী অর্থানুকুল্যে তথ্য প্রযুক্তি ও কম্পিউটার প্রশিক্ষণ প্রদানের মাধ্যমে শিক্ষিত,শিক্ষিত-বেকার মহিলাদের আত্মকর্মসংস্থান এবং কর্মক্ষেত্রে দক্ষতা বৃদ্ধি করে অর্থনৈতিক উন্নয়নে অবদান রাখার লক্ষ্যে জুলাই ২০০৮ থেকে জুন ২০১১ পর্যন্ত মেয়াদে বাংলাদেশ সরকারের ১৬৭৫.৪৭ লক্ষ টাকা ব্যয়ে জাতীয় মহিলা সংস্থা “জেলা ভিত্তিক মহিলা কম্পিউটার প্রশিক্ষণ (২য় পর্যায়)” প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে। প্রকল্পের আত্ততায় ৩০টি কেন্দ্রের মাধ্যমে জানুয়ারি ২০০৯ থেকে সেপ্টেম্বর ২০১০ পর্যন্ত  মোট ৪৫০০ জনকে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়। প্রতি ব্যাচে ৪০ জন মহিলাকে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়ে থাকে। ৩ (তিন) মাস মেয়াদী প্রশিক্ষণ কোর্সের কোর্স ফি ১,০০০/-টাকা।

* নগর ভিত্তিক প্রান্তিক মহিলা উন্নয়ন প্রকল্প : জাতীয় মহিলা সংস্থার অধীন (অক্টোবর’০৮ থেকে সেপ্টেম্বর ২০১৩ মেয়াদে বাস্তবায়নাধীন) নগর ভিত্তিক প্রান্তিক মহিলা উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় বর্তমানে ঢাকাসহ ০৬টি জেলায় ১৩টি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের কার্যক্রম বাস্তবায়িত হচ্ছে (সমাপ্ত পূর্ব প্রকল্পের ১৭ জন কর্মকর্তা/কর্মচারী কর্তৃক দায়েরকৃত রীট পিটিশন নং-৪৭২০/২০০৯ এর কারণে অবশিষ্ট ৩৩টি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র চালু করা যায়নি)। প্রকল্পের আওতায় মার্চ ২০০৯ থেকে সেপ্টেম্বর ২০১০ পর্যন্ত বিভিন্ন ট্রেডে দক্ষতা উন্নয়ন ও বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণ প্রদানের মাধ্যমে আত্ম-কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির লক্ষ্যে শহরাঞ্চলের ১০৩০ জন দরিদ্র, বেকার ও বিত্তহীন মহিলাকে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়েছে।

জাতীয় মহিলা সংস্থার কার্যক্রম এর হালনাগাদ তথ্য বিবরনী

(ডিসেম্বর, ২০১০ মাস পর্যন্ত)

-: সংস্থার অনুমোদনের অপেক্ষায় নতুন উন্নয়ন প্রকল্প সমূহ :-

) অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নে নারী উদ্যোক্তাদের বিকাশ সাধন প্রকল্প (২য় পর্যায়): মহিলা উদ্যোক্তাদের দক্ষতা ও পেশাগত উন্নয়ন ও তাদের উৎপাদিত পণ্য সামগ্রী স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বাজারজাতকরনের মাধ্যমে অধিক সংখ্যক মহিলাকে শিল্প ও বাণিজ্যের সাথে সম্পৃক্ত করার লক্ষ্যে মার্চ ২০১০ থেকে ফেব্রুয়ারি ২০১৫ মেয়াদে বাস্তবায়নের জন্য ১৫১১.৪৬ লক্ষ টাকা ব্যয় সম্বলিত একটি প্রকল্পের ডিপিপি চুড়ান্ত অনুমোদনের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন আছে। অত্র প্রকল্পের আওতায় উদ্যোক্তা মহিলাদের উৎপাদিত পণ্য সামগ্রী বাজারজাত করনের লক্ষ্যে মেলার আয়োজনসহ জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বানিজ্য মেলায় অংশগ্রহণ করার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

এখানে উল্লেখ্য, জুলাই ২০০৩ থেকে জুন ২০০৮ মেয়াদে অত্র প্রকল্পের ১ম পর্যায়ের বাস্তবায়ন সমাপ্ত হয় এবং অত্র পর্যায়ে ফ্যাশন ডিজাইনিং, ইনটেরিয়র ডিজাইনিং, ক্যাটারিং, বিউটিফিকেশন ও ব্যবসা ব্যবস্থাপনা বিষয়ে ২৫০০ মহিলাকে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়।

) জাতীয় মহিলা সংস্থা জেলা কমপ্লেক্স প্রকল্প : জাতীয় মহিলা সংস্থা কর্তৃক বাস্তবায়নের জন্য ২০১০-১১ অর্থ বছরের এডিপিতে “জাতীয় মহিলা সংস্থা জেলা কমপ্লেক্স” শীর্ষক একটি প্রকল্প অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। অত্র প্রকল্পের প্রথম পর্যায়ে সংস্থার নিম্নোক্ত ৫টি জেলা শাখায় ১টি করে ৬ তলা ফাউন্ডেশন বিশিষ্ট ৩ তলা কমপে¬ক্স ভবন নির্মাণের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। জেলাগুলো হলো: ১। গোপালগঞ্জ, ২। কিশোরগঞ্জ, ৩। মৌলভীবাজার, ৪। নড়াইল ও ৫। দিনাজপুর। প্রস্তাবিত প্রকল্পের স্থাপত্য ও স্ট্রাকচারেল নক্সাসহ পূর্ত নির্মাণ কাজ LGED এর মাধ্যমে সম্পন্ন করা হবে। জনবল নির্ধারণসহ ডিপিপি অনুমোদন প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

) তথ্য আপা : ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে তথ্য প্রযুক্তির মাধ্যমে নারীর ক্ষমতায়ন প্রকল্প : জাতীয় মহিলা সংস্থা কর্তৃক দেশের ১০টি উপজেলায় বাস্তবায়নের জন্য “তথ্য আপা : ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে তথ্য প্রযুক্তির মাধ্যমে নারীর ক্ষমতায়ন প্রকল্প” শীর্ষক ৩ বছর মেয়াদী একটি প্রকল্প ২০১০-১১ বছরের এডিপিতে অন্তর্ভক্ত হয়েছে। প্রকল্পটির মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে- নারীর ক্ষমতায়নে তাকে তথ্য দিয়ে সমৃদ্ধ করা। তথ্য ও জ্ঞানের রাজ্যে নারীর সহজ প্রবেশ নিশ্চিত করবে তথ্য প্রযুক্তির হালনাগাদ ব্যবহার। প্রকল্পের প্রধান লক্ষ্য একটি ডিজিটাল তথ্য ভান্ডার সৃষ্টি, যেখানে সব স্তরের নারীর প্রবেশ ও তথ্য পাওযার অধিকার নিশ্চিত হবে। প্রকল্পের কেন্দ্রসমূহ হলো : ভৈরব, কোটালী পাড়া, মাটিরাংগা, সেনবাগ, দেবীদ্বার, পত্নীতলা, মোল্লা হাট, ভেড়ামারা, গৌরনদী ও গোবিন্দগঞ্জ। জনবল অনুমোদনসহ ডিপিপি অনুমোদন প্রক্রিয়াধীন।

জাতীয় মহিলা সংস্থার কার্যক্রম এর হালনাগাদ তথ্য বিবরনী

(অক্টোবর, ২০১০ মাস পর্যন্ত)

-:জাতীয় মহিলা সংস্থা কর্তৃক বাস্তবায়িত/ সমাপ্ত উন্নয়ন প্রকল্প সমূহ:-

) সাপোর্ট টু উইমেন্স অব ভায়োলেন্স: জাতীয় মহিলা সংস্থার বিদ্যমান নারী নির্যাতন প্রতিরোধ সেল শক্তিশালীকরণ এবং এসিড দগ্ধ মহিলাদের চিকিৎসা ও আইনগত সহায়তা প্রদানের উদ্দেশ্যে সংস্থা Aus-AID-এর আর্থিক সহযোগিতায় মার্চ ২০০২-ফেব্রুয়ারী ২০০৩ পর্যন্ত ২৭.০০ লক্ষ টাকার একটি প্রকল্পের আওতায় ৫০ জন এসিডদগ্ধ মহিলাকে চিকিৎসা সেবা প্রদান করা হয়। এছাড়া ৩০০ জন মহিলাকে আইনগত সহায়তা প্রদান করা হয়।

) মহিলা উদ্যোক্তা উন্নয়ন প্রকল্প : মহিলা উন্নয়নের গতানুগতিক ধারার পাশাপাশি উদ্যোগী ও প্রতিশ্রুতিশীল মহিলাদের ব্যবসা/শিল্প বা উৎপাদনমুখী অর্থকরী কর্মে সম্পৃক্ত করার জন্য UNDP-এর আর্থিক সহাযোগিতায় ১৯৯৮-৯৯ অর্থ বছর থেকে জুন ২০০৬ মেয়াদে ২০৭০.০৬ লক্ষ (UNDP – ১৭৩৪.০৬ লক্ষ+ জিওবি-৩৩৬.০০লক্ষ) টাকা ব্যয়ে “মহিলা উদ্যোক্তা উন্নয়ন” শীর্ষক প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করে। প্রকল্পের আওতায় জাতীয় মহিলা সংস্থা, মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর, স্বেচ্ছাসেবী প্রতিষ্ঠানের সফল ঋণ গ্রহীতা এবং উদ্যোগী, সম্ভাবনাময়, প্রতিশ্র“তিশীল মহিলাদের সনাক্ত করে প্রকল্পের অওতায় ৪,৯২০ জন মহিলাকে উদ্যোক্তা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ, সতেজীকরণ প্রশিক্ষণ, নেত্রীত্ব বিকাশ, উচ্চতর উদ্যোক্তা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ, দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ, ইত্যাদির পাশাপাশি ব্যবসা বাণিজ্য পরিচালনা, শিল্প ব্যবস্থাপনা, পণ্য/সেবা বাজারজাতকরণ ইত্যাদি বিষয়ে বিভিন্ন মানের প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়। প্রশিক্ষণ সমাপ্তির পর ব্যবসা/বাণিজ্য, শিল্প প্রতিষ্ঠান স্থাপন/পরিচালনার জন্য ১৮০০ মহিলাকে ২০ হাজার থেকে ১.৫০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ঋণ প্রদান করা হয়। এভাবে সর্বমোট ৫৮২.০০ লক্ষ টাকার ঋণ বিতরণ করা হয়।

৩) গ্রামীণ মহিলা উন্নয়ন প্রকল্প : প্রথম ও দ্বিতীয় পর্যায়ে গৃহীত কার্যক্রম সমূহের ধারাবাহিকতা অব্যাহত রেখে নারীর অর্থনৈতিক মুক্তি ও সামাজিক ক্ষমতায়নের লক্ষ্যে সরকারী নীতি, আদর্শ, লক্ষ্য-উদ্দেশ্য ও বাস্তবায়নাধীন বিভিন্ন কর্মকান্ডের সাথে সামঞ্জস্য রেখে জুলাই ২০০৪ সাল থেকে জুন ২০০৯ মেয়াদে ১০১৭.৮৪ লক্ষ টাকা ব্যয় সম্বলিত একটি প্রকল্প হিসেবে গ্রামীণ মহিলা উন্নয়ন প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হয়। প্রকল্পের আওতায় গ্রামীণ দুঃস্থ ও বেকার মহিলাদের আর্থ সামাজিক উন্নয়নের লক্ষ্যে স্থানীয় চাহিদার ভিত্তিতে বিভিন্ন কৃষি ও অকৃষি ট্রেডে দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ ও প্রশিক্ষণ শেষে আয়বর্ধক কর্মসূচী গ্রহণের মাধ্যমে আত্বকর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির লক্ষ্যে ক্ষুদ্র ঋণ প্রদানের সংস্থান রাখা হয়েছে। ১৩০টি উপজেলায় প্রকল্পের কর্মসূচীর আওতায় প্রকল্প মেয়াদকালে উপরোক্ত বিষয়ে জুন/২০০৯ পর্যন্ত ৫৪৬০০ জন মহিলাকে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়েছে এবং ৩২৪৭ জন মহিলাকে ২১৫.৭৪ লক্ষ টাকা ঋণ প্রদান করা হয়েছে। প্রকল্পটি ৩০শে জুন/২০০৯ এ সমাপ্ত হয়েছে। প্রকল্পের আরডিপিপি এর সংস্থান অনুযায়ী জাতীয় মহিলা সংস্থার মাধ্যমে বিতরণকৃত ঋণ আদায় কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

) জাতীয় মহিলা সংস্থা কমপ্লেক্স সম্প্রসারণ উন্নয়ন প্রকল্প: জাতীয় মহিলা সংস্থার বিশাল অবকাঠামো পরিচালনার উপযোগী একটি প্রধান কার্যালয় গড়ে তোলা এবং ঢাকা মহানগরীর বিভিন্ন কর্মসূচী বাস্তবায়নে নিয়োজিত প্রতিষ্ঠানসমূহ একত্রিত করে একই অঙ্গনে স্থাপন করার উদ্দেশ্যে ১৯৯৭-৯৮ অর্থ বছর থেকে ডিসেম্বর ২০০৯ পর্যন্ত ৩ পর্যায়ে জাতীয় মহিলা সংস্থা ভবন কমপ্লেক্স প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হয়। জামস কমপ্লেক্স ভবনে সংস্থা প্রধান কার্যালয় ছাড়াও রয়েছে প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, নির্যাতিত মহিলাদের আইনগত সহায়তা প্রদানের জন্য সেল, শিশুদের দিবাযত্ন কেন্দ্র, কর্মজীবি মহিলা হোষ্টেল, মিলনায়তন, কনফারেন্স কক্ষ, বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের অফিসসমূহ, বিক্রয় ও প্রদর্শনী কেন্দ্র, হেলথ ক্লাব ও ক্যাফেটেরিয়া।

borneowebhosting informasiku